الصلوۃ والسلام علیک یا رسول اللہ (صلی اللہ علیہ وسلما) اللہ رب محمد صلی علیہ وسلما و علی زویہ والہ ابدالدھور وکرما আসসলাতু ওয়াসসলামু আলাইকা ইয়া রাসুলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম).
Gulam-E-Mustafa Hoon Din Ka Paigam Laya Hoon, Pilaan-E-Ke Liye Ahmad Raza Ka Jaam Laya Hoon.

লাইলাতুলকদর এ আপনি কি দুয়া পড়বেন??? কি নফল ইবাদত করবেন??কোন ইবাদত করলে বেশি সওয়াব

edited June 2017 in General
 পড়ুন

লাইলাতুলকদর এ আপনি কি দুয়া পরবেন??? কি নফল ইবাদত করবেন??কোন ইবাদত করলে বেশি সওয়াব আল্লাহ্‌ পাক দান করবেন আমোল নামায়....তার বিস্তারিত ভালে দেওয়া হল ইনশাআল্লাহ নিচে সময় করে একটু পড়ে নিন......
.
.
শবে কদরের নামাজ --------------------------------------- হযরত আয়েষা সিদ্দিকা রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা,হতে বর্ণিত যে নবী কারীম (সাল্লাল্লাহুআলায়হি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন যে রমজান মাসের শেষ ১০ দিন বিজোড় রাত্রিগুলিতে শবে কদর অনুসন্ধান করো।(বোখারী শরীফ) রমজান মাসের শেষ ১০ তারিখের বিজোড় রাত্রিগুলি যেমন ২১,২৩,২৫,২৭,ও ২৯ তারিখের কনো একটি রাত্রিতে শবে কদর হয়ে থাকে। ইমাম আযাম(রহমাতুল্লাহআলায়হি রাদিয়াল্লাহুআনহু)এর মতে ২৭ শে রাত্রি শবে কদর। এই রাত্রে কোরআন শরীফ তেলাওয়াত করা,দোয়ায়ে ইস্তেগফার করা,দরুদ শরীফ পড়া,অতি মাত্রায় নফল নামাজ পড়া উচিৎ। এই রাত্রির ইবাদত হাজার মাসের ইবাদত হতেও উত্তম। এই শবে কদর রাতে সূরা ইখলাস অথৎ কুলহুআল্লাহ সহকারে নফল নামাজ পড়ে তার পূর্ব ও পরের সমস্ত গুনহা মাফ করে দেওয়া হয় । নফল নামাজ যে ভাবে মনে করবে পড়তে পারে। শবে কদর রাত্রে নফল নামাজ পড়ার নিয়ম চার রাকায়াত নফল নামাজ এ ভাবে পড়বে যে প্রত্যেক রাকায়াতে সূরা ফাতিহার পর সূরা ক্বদর ৩ বার এবং সূরা এখলাস ৫০ বার তবে আল্লাহ তায়ালা তার দোয়া কবুল করবেন। অসীম নিয়ামত দান করবেন এবং সমস্ত গোনাহ মাফ করে দিবেন। আবার যে ব্যক্তি শবে কদরের দুই রাকায়াত নামাজ এ ভাবে পড়ে যে প্রত্যেক রাকায়াতে সূরা ফাতিহার পর ৭ বার সূরা এখলাস পাঠ করবে। সালাম ফিরার পর ৭০ বার আসতাগফিরুল্লাহা ওয়া আতুবু ইলায়হি । পাঠ করবে তবে তাকে এবং তার পিতা মাতাকে আল্লাহ মাফ করবেন। এই রাত্রে যদি ২০ রাকায়াত নামাজ এভাবে পড়ে যে প্রত্যেক রাকায়াতে সূরা ফাতিহার পর ২১ বার সূরা এখলাস পাঠ করে সে এই ভাবে গোনাহ হতে পাক হবে যেন এখনই ভূমিষ্ট হলো। শবে কদর ইবাদতের রত্রি এই রাত্রে ইবাদত করেই কাটাবে। (ফায়জানে সুন্নাত) --------------------------------------- শবেকদেরর নামাজের নিয়ত --------------------------------------- নাওয়াইতু আন্ উসাল্লিয়া লিল্লাহি তাআ'লা রাকআতাই সালাতি লায়লাতিল ক্বাদরি মুতাওয়জ্জিহান ইলা-জিহাতিল কা'বাতিশ শারিফাতি আল্লাহু আকবার। অথবা শবে কদরের দুই রাকায়াত নফল নামাজ পড়িতেছি বলিয়া নিয়ত করিবে।...
...
.
লাইলাতুল কদরের দো‘আঃ 

আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বললেন, হে আল্লাহর নবী! যদি আমি লাইলাতুল কদর পেয়ে যাই তবে কি বলব? তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, বলবেঃ “আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন, কারীমুন, তুহিব্বুল আফওয়া, ফা’য়ফু আন্নি” অর্থঃ ‘‘হে আল্লাহ আপনি ক্ষমাশীল, ক্ষমাকে ভালবাসেন, তাই আমাকে ক্ষমা করে দিন।’’ (সুনান আত-তিরমিযীঃ ৩৫১৩; ইব্‌ন মাজাহঃ ৩৮৫০)

সকলেই এই ব্যাপক অর্থবোধক দুয়াটি মুখুস্ত করে নিয়ে বেশী বেশী করে আল্লাহর কাছে দুয়া করতে থাকুন। আল্লাহ আমাদের সকলকে লাইলাতুল কদরের ফজিলত অর্জন করার তৌফিক দান করুক এবং আমাদের সকলকে ক্ষমা করে দিক আর মৃত্যুর সময় ঈমান এবং আমালের সাথে মৃত্যু দান করুক। আমীন...।...
...
.
শবে কদরের রাতে যে দোয়াটি বেশি পড়বেনঃ 
.
হযরত আয়েশা সিদ্দিকা
শবে কদরের রাতে যে দোয়াটি বেশি পড়বেনঃ
হযরত আয়েশা সিদ্দিকা রাদ্বিয়াল্লাহু তা' আলা আনহা হতে বর্ণিত,তিনি আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে জিজ্ঞেস করলেন ' ইয়া রসূলাল্লাহ! আমি যদি জানি কোন রাতটি শবে কদর, তবে সে রাতে আমার কোন দোয়াটি পড়া উচিত?'
তিনি তাঁকে পড়ার জন্য নির্দেশ দিলেন-
"আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন তুহিব্বুল আফওয়া ফা'ফু আন্নি।'
অর্থ : 'হে আল্লাহ! আপনি ক্ষমাশীল এবং ক্ষমা করতে ভালবাসেন।তাই আমাকে ক্ষমা করুন।' -(সুনানে ইবনে মাজা)
অপর বর্ণনায় রয়েছে, 'আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন করিম তুহিব্বুল আফওয়া ফা'ফু আন্নি। '
অর্থ : হে আল্লাহ! আপনি হলেন তিনি, যিনি অতি ক্ষমাশীল এবং ক্ষমা করতে ভালবাসেন। তাই আমাকে ক্ষমা করুন।' - (সুনানে তিরমিযি শরীফ।)
.
.লাইলাতুল কদর শরীফ কিভাবে পালন
করবো-
******************
আলহামদুলিল্লাহ! আমরা জীবনে আরেকটি
কদরের রজনী পেয়েছি। মাগরিব থেকে ফজর
পর্যন্ত সম্মানিত মহিমান্বিত এ রাতের
সময় সীমা। তাই আমরা বুঝতে হবে এ রাতের
প্রতিটি মুহুরতো প্রতিটি নিশ্বাস অতি
মূল্যবান। তাই প্রতি নিঃশ্বাসে মওলার
স্মরণ থাকা চাই। এর যে ইবাদত গুলো করা
যায়-
-++++++++++++++
১) মাগরিব, এ'শা ও ফজরের ফরয নামাজের
পর-
ক) আল্লহামদুলিল্লাহ- ৩৩ বার।
খ) সুবহানাল্লাহ-৩৩ বার।
গ) আল্লাহু আকবার-৩৩ বার পড়ে মুনাজাত।
২) বা'দ মাগরিব ৬ রাকাত আওবিনের নামাজ
পড়া।
৩) তারাবীহ এর পর বেতেরের আগে ১২/16/
২০ রাকাত লাইলাতুল কদরের সুন্নাত
নিয়্যতে এই নিয়মে পড়া+ ১ম রাকাতে সুরা
ফাতিহার পর সূরায়ে কদর (ইন্না আনযালনা)
একবার পড়া। ২য় রাকাতে সূরা ফাতিহার পর
৩ বার সূরা ইখলাস (কুলহু আল্লাহ্) পড়া।
এভাবে ৪ রাকাত পর আস্তাগফিরুল্লাহ
১বার দরূদ শরীফ ৩ বার পড়ে মুনাজাত।
এভাবে কদরের নামাজ শেষ করতে হবে।
৪) সালাতুত তাসবিহ এর নামাজ পড়া।
৫) মুখস্ত হলেও কিছু কোর আনে পাকের
সূরা গুরুত্ত্বপূরণো আয়াত পাঠ করা।
কারণ এ রাত কোর আন নাযীলের রাত।
৬) যত বেশী সম্ভব নবী পাকের উপর দরূদ
শরীফ পড়া। কারণ এ মুল্যবান রাত
একমাত্র নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়াসাল্লামার খাতিরে আমরা পেয়েছি।
৭) ইয়া আল্লাহু, ইয়া রহমানু ইয়া গাফফারু,
ইয়া রাহীমু, ইয়া মালিকু, ইয়া কদ্দুসু, ইয়া
সালামু ইত্যাদি ওয়াজিফা বা জিকির ১০০
বার করে পড়া।
৮) তাহাজ্জুদের নামাজ পড়া।
৯) মীলাদ-ক্বিয়াম শরীফ এর মাধ্যমে
আখেরি মুনাজাত করা। ইত্যাদি।
সব আমলের পূরবো শরতো বিশুদ্ধ নিয়ত
ও অন্তরের একাগ্রতা।
আল্লাহ জাল্লা শানুহু তার হাবীব
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও
আউলিয়ায়ে কিরামের আশেক-প্রেমিক
হিসেবে এ রাতের ইবাদত, বন্দেগী আমাদের
কবুল করুন। আমিন!
...
...
খুব দ্রুত কিছু নফল ইবাদত :::::
.........
আজকের পবিত্র রাতকে আরো
পুন্যময় করে তোলুন, যার যার
আব্বু আম্মুকে পড়ে শুনান : সবাই
শেয়ার করুন প্লিজ
২০ মিনিটে ২০ খতম আল-কুরআনের
সওয়াব :-
নিজে জানুন আমল করুন অপরকে
জানান।
এতে যদি ১ থেকে হাজার মানুষ
পর্যন্তও ছড়ায় আর তা শিক্ষা
গ্রহন করে আপনার দ্বারা উপকার
প্রাপ্তদের সকলের সওয়াব আপনার
আমলনামায় দেয়া হবে ইনশা-
আল্লাহ।
★ সুরা ফাতিহা ৩ বার পড়লে আল-
কুরআন ২ বার খতমের সওয়াব হয়।
(তফসীরে মাযহারী ১ম, পৃ ১৫)
★ সুরা ইখলাস ৩ বার পড়লে ১ খতমের
সওয়াব হয়।
(সহিহ বুখারী ২য়, পৃ ৬৫০)
★ সুরা ইয়াসিন ১ বার পড়লে ১০
খতম এর সওয়াব হয়।
(সহিহ তিরমিযি ২য়, পৃ ১১৬)
★ সুরা কাফিরুন ৪ বার পড়লে
খতমের সওয়াব হয়।
(সহিহ তিরমিযি ২য়, পৃ ১১৭)
★ সুরা যিলযাল ২ বার পড়লে ১
খতমের সওয়াব হয়।
(সহিহ তিরমিযি ২য়, পৃ ১১৭)
★ সুরা ক্বদর ৪ বার পড়লে ১ খতমের
সওয়াব হয়।
(দুররে মনসুর ৬ষ্ট, পৃ ৬৮০)
★ আয়তুল কুরসী ৪ বার পড়লে ১
খতমের সওয়াব হয়।
(তফসীরে মাযহারী ২য় খন্ড, পৃ ৩১)
★ সুরা নসর ৪ বার পড়লে ১ খতমের
সওয়াব হয়।
(সহিহ তিরমিযি ২য়, পৃ ১১৭)
★ সুরা আদিয়াত ২ বার পড়লে ১
খতমের সওয়াব হয়।
(দুররে মনসুর ৬ষ্ট, পৃ ৬৯৫)
★ সুরা তাকাসুর ১ বার পাঠ করলে
১০০০ আয়াত পাঠের সমান সওয়াব
হয়।
(বায়হাকী, মিশকাত ১ম, পৃ ১৯০)
★ দুরুদে লাকী ১ বার পড়লে ১
লক্ষ বার দুরুদ পাঠের সমান সওয়াব
হয়।
★ ২০ লক্ষ নেকীর দোয়া :-
" লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু
ওয়াহদাহু লা-শারিকা'লাহু
আহাদান সামাদান লাম ইয়ালিদ
ওয়া লাম ইউ লাদ ওয়া লাম ইয়া
কুল্লাহু কুফুয়ান আহাদ "
পরিশেষে,
রাসুল (সা) বলেন, “যে ব্যক্তি
ইসলাম ধর্মে কোনো সুন্নাতুন্
হাসানা তথা উত্তম প্রথা/রীতি
প্রবর্তন করেন, তিনি এর সওয়াব পান
এবং যারা তার পরে ওতে আমল করবে,
তাদের সওয়াবও তিনি পেতে
থাকেন; আর তাদের (পরবর্তী
আমলকারীদের) সওয়াবেরও এতে
ন্যূনতম কমতি হয় না। অনুরূপ ভাবে
কেউ যদি ধর্মে খারাপ কিছু
সংযোজন করে আর কেউ তা অনুসরণ
করে, সে ওই মন্দের জন্য দায়ী
থাকবে।”
[সাহীহ মুসলিম> ৬৪৬৬]
রাসূল সাঃ ইরশাদ করেন-আমার পক্ষ
থেকে একটি বাণী হলেও [মানুষের
কাছে] পৌঁছে দাও।
*তাহাবী শরীফ, হাদীস নং-৫৫৭০,
*সহীহ বুখারী, হাদীস নং-৩২৭৪,
*সহীহ ইবনে হিব্বান, হাদীস নং-৬২৫৬,
*সুনানে তিরমিযী, হাদীস নং-২৬৬৯
visit plz our website ::: www.SunniDuniya.in এ

Comments

Sign In or Register to comment.